অনলাইনে আয় করতে কে না চায় কিন্তু কতজন সফল হতে পারে ? অনলাইনে আয় করার জন্য অনেকগুলো মাধ্যম রয়েছে কিন্তু এর মাঝে অসংখ্য স্ক্যাম বা প্রতারনামুলক সাইট রয়েছে । আপনাকে এইসকল সাইট থেকে সতর্ক থাকতে হবে এবং আপনি যেই সাইটে আয় করার জন্য কাজ করতে উৎসাহী হবেন প্রথমে সেই সাইট সম্পর্কে ভালভাবে যাচাই করবেন এতে করে প্রতারনার শিকার হওয়া থেকে অনেকটা রক্ষা পাবেন ।
আমি শুধুমাত্র আমার ব্লগে সঠিক এবং নির্ভরযোগ্য সাইটগুলোর ব্যাপারে পাঠকে উৎসাহী করে থাকি তাই এই নিবন্ধগুলোও আপনাকে সঠিক পথের নিশ্চয়তা দেবে বলে আশা করি ।
নিম্নে অনলাইন থেকে আয় করার সেরা মাধ্যমগুলো উপস্থাপন করছি আপনি এখান থেকে আপনার পছন্দের বিষয়টি নির্বাচন করতে পারেনঃ-
একজন প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার হিসেবেঃ
একজন প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার হিসেবে আপনি অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারেন । অনলাইনের বিভিন্ন সাইট রয়েছে যেখানে প্রফেশনাল ছবি বিক্রয় হয় দেশ-বিদেশের অনেক ফটোগ্রাফার রয়েছে যারা তাদের ছবি এই ধরনের সাইটে বিক্রয় করে থাকে অথবা আপনি চাইলে একজন ফ্রিল্যান্সার ফটোগ্রাফার হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে পারেন । আপনি যদি ফ্রিল্যান্সার ফটোগ্রাফার হতে চান তবে আপনার অবশ্যই ছবি উত্তোলনের উপরে ভাল দক্ষতা এবং ভাল ক্যামেরা থাকা বাঞ্ছনীয়।
বাইসেল থেকে আয় করুনঃ
আপনি সহজেই বাইসেল থেকে আয় করতে পারেন । বাইসেল হল একটি সেবা বিক্রয়ের জায়গা উধাহরনস্বরূপ বলা যায় আপনি এখানে ডিজাইন করে, ওয়েবসাইট সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান করে, বই বিক্রয় করে, অন্যকে সাহায্য করে খুব সহজেই প্রতিটি কাজের জন্য সর্বনিম্ন ১ ডলার থেকে ১০ ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারেন বড় কাজ গুলোর জন্য আপনি আপনার কাজের মূল্য/সেবার মুল্য বাড়িয়ে নিতে পারেন। বাইসেল থেকে আয় করার জন্য আপনাকে প্রথমে একটি একাউন্ট তৈরি করতে হবে । বাইসেলে একাউন্ট তৈরি করতে এখানে ক্লিক করুন।
ব্লগিং করে আয়ঃ
ব্লগিং করে আয় করাটা বিশ্বব্যাপী খুব জনপ্রিয়তা পেয়েছে । আপনার যদি নিজেস্ব ব্লগ থাকে তবে আপনি ব্লগিং করেই অর্থ উপার্জন করতে পারেন । বিশ্বে অনেক বিজ্ঞাপনদাতা সংস্থা রয়েছে যারা ব্লগারদের এবং বিজ্ঞাপনদাতাদের নিয়ে কাজ করে থাকে । এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল গুগোল এডসেন্স, বাইসেলএডস, ক্লিকসর, ইনফোলিঙ্কস ইত্যাদি । তবে এদের মাঝে সেরা হিসেবে আমি গুগোল এডসেন্স কেই ব্যাবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকি । আপনি চাইলে ফ্রি ব্লগ যেমন ব্লগস্পট বা ওয়ার্ডপ্রেস থেকেও ব্লগিং করে আয় করতে পারেন। মনে রাখবেন ব্লগিং হচ্ছে একটি দীর্ঘমেয়াদী আয়ের পদ্ধতি যা তৈরি বা প্রতিষ্ঠিত করতে হলে আপনাকে প্রচুর শ্রম দিতে হবে ।
এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয়ঃ
এফিলিয়েট মার্কেটিং বলতে বুঝায় অন্যের পণ্য বিক্রয় করে কমিশনের মাধ্যমে আয় করাকে বুঝায় । আপনি যদি এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে চান তবে বিশ্বের অনেক জনপ্রিয় সাইট রয়েছে যেমন এমাজন, কমিউনিটি জাঙ্কশন, গুগোল এফিলিয়েটস ইত্যাদি এগুলোতে একাউন্ট তৈরি করে আপনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পন্যগুলোর জন্য আপনার নির্দিষ্ট লিংক পাবেন যা প্রচার করতে হবে অনলাইনে এর মাধ্যমে যদি আপনি পন্যটি বিক্রয় করতে পারেন তবে পূর্বে নির্ধারিত কমিশন আপনি পেয়ে যাবেন । তবে একটি বিষয় বলে রাখা ভাল আপনার যদি এশিয়ান পাঠক থাকে তবে এই পদ্ধতি আপনার জন্য নয় কারন এশিয়ানরা অনলাইনে কেনাকাটা সাধারনত করে না । এই পদ্ধতির জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় মার্কেট হল ইউরোপ বা উন্নত দেশগুলো।
ইবেতে কিছু বিক্রয় করে আয় করুনঃ
ইবে হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি পন্য কেনাবেচার জায়গা আপনি চাইলে বিভিন্ন ধরনের পন্য এখানে বিক্রয় করতে পারেন এবং তা থেকে আয় করতে পারেন । বিশ্বের অনেক অভিজ্ঞ ব্যাক্তি রয়েছেন যারা ইবে থেকে পন্য কিনে আবার ইবেতে বিক্রয় করে অর্থ উপার্জন করে থাকে এক্ষেত্রে আপনার ভাল অভিজ্ঞতা থাকা বাঞ্ছনীয়।
মাইক্রোব্লগিং সাইট ব্যাবহার করেঃ
আপনি যদি একজন মাইক্রোব্লগার হন তবে সহজেই আপনি অনলাইন থেকে কিছুপরিমান আয় করতে পারেন । বিশ্বের অনেক মাইক্রোব্লগার রয়েছেন যারা মোটামুটি ১০০-১০০০ ডলার পর্যন্ত আয় করে থাকেন তবে এক্ষেত্রে পুরো বিষয়টি মাইক্রোব্লগিং সাইটে আপনার জনপ্রিয়তার উপরে নির্ভর করে থাকে । বিশ্বের অনেক সাইট রয়েছে যারা এ ধরনের সুবিধা প্রদান করে থাকে কিন্তু সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সাইটটি হচ্ছে “স্পন্সরড টুইট” । স্পন্সরড টুইট এ আপনি আপনার টুইটার একাউন্টের জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে আয় করতে পারেন ।
অনলাইনে আয়
27 Tuesday Jan 2015
Posted in Uncategorized